যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৫ জানুয়ারি ২০১৯

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

মোঃ জাহিদ আহ্সান রাসেল এম পি
১৯৫ গাজীপুর-২
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

দলগত পরিচয়ঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

 

জনাব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল ১৯৭৮ সালের ১ জানুয়ারি গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী থানার অর্ন্তগত নোয়াগাঁও এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস গাজীপুর মহানগরের পুবাইল থানার হায়দরাবাদ গ্রামে। তাঁর পিতা জনাব শহীদ আলহাজ্ব আহসানউল্লাহ মাস্টার এবং মাতা ফরিদা আহসান।

তিনি ২০১২ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি খাদিজা রাসেল এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

জনাব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল বিএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি লন্ডনে ঊলভারহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি অনার্স কোর্সে অধ্যায়নরত।

১৯৮৩ ও ১৯৯৮ সালে তাঁর পিতা আহসান উল্লাহ মাস্টার পর পর ২ বার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে তিনি গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি হিসাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।  ১৯৯৬ সালের ১২ জুন ও ২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর পিতা আহসানউল্লাহ্ মাস্টার গাজীপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পর পর দুই বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালে বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে বোমা মেরে ও ব্রাশ ফায়ার করে বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষের প্রিয় নেতা, জাতীয় শ্রমিকলীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্ট্যাডিজ (বিলস) এর চেয়ারম্যান, প্রধান শিক্ষক সহ সর্বোপরি একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তাকে হত্যার পর  জেষ্ঠ্য পুত্র জনাব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল উপ-নির্বাচনে উক্ত আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন । তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৪-২০০৬ সালে বিএনপি জামায়াতের দু:শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলন তথা রাজপথ, রেলপথ ও ঢাকা অবরোধ, ঢাকাগামী লংমার্চ, হরতালে ঢাকাসহ টঙ্গী গাজীপুরে বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচিতে তিনি নেতৃত্ব দেন।

তথাকথিত ১/১১ এর সামরিক সমর্থনপুষ্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির লক্ষ্যে তৎকালীন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব জিল্লুর রহমান এর সাথে বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেন। তাছাড়া সেসময় বিরোধী দলীয় উপনেতা এডভোকেট আব্দুল হামিদ এর নেতৃত্বে নেত্রীর মুক্তির দাবিতে সংসদ সদস্যদের স্বাক্ষর আদায়ে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন।

তিনি ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২য় বারের মত বাংলাদেশের ২য় সর্বোচ্চ ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং নবম জাতীয় সংসদে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠা ও সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন  করেন। তাছাড়া তিনি লাইব্রেরি কমিটির সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের  নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির সদস্য ছিলেন ।

তিনি বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য এবং ইত:পূর্বে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ছিলেন। তিনি ইতোমধ্যে শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুখীনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুনিয়া শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার উচ্চ বিদ্যালয়, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার স্কুল এন্ড কলেজ, নর্থ ওয়েস্টার্ন কলেজ, গাজীপুর ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি সহ বহু স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি কাজী আজিম উদ্দিন কলেজে অনার্স-মাস্টার্স, গাজীপুর সরকারি মহিলা কলেজকে ইন্টারমিডিয়েট থেকে ডিগ্রি ও অনার্স, টঙ্গী সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করেন। তাছাড়া শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু কলেজ, যেটি বিএনপির রোষাণলে পরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেই  কলেজকে পুনরায় চালু করেন। তাছাড়া এলাকায় বহু রাস্তাঘাট, ব্রিজ ,কালভার্ট, হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার নতুন ভবনসহ সংস্কার, মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, কবরস্থান সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তিনি বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তার নির্বাচনী এলাকা শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছেন। 

টঙ্গীতে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এর নামে নতুন একটি স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং গাজীপুর এর শহীদ বরকত স্টেডিয়াম সংস্কার করেন। গাজীপুরে নতুন একটি অডিটরিয়াম নির্মাণ করেন। বেকার যুবদের আত্মকর্মী হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ, শতাধিক স্কুল-কলেজে কম্পিউটার ও ল্যাপটপ প্রদান এবং শেখ রাসেল কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করেছেন। এছাড়াও তাঁর নির্বাচনী এলাকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা, গাজীপুর ৫০ শয্যা হাসপাতালকে প্রথমে ১০০ শয্যা এখন সেটা ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট শহীদ তাজউদ্দিন হাসপাতালে পরিনত করেন। তিনি টঙ্গীর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার হাসপাতালে রূপান্তরিত করেন। তিনি নার্সিং কলেজ এবং ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি প্রতিষ্ঠা করতে ভূমিকা পালন করেন। তিনি গাছার কামারজুরী, টঙ্গী, জয়দেবপুরে কয়েকটি ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করেন এবং টঙ্গীতে নদী বন্দর সহ তুরাগ নদীর দুইপার দখলমুক্ত সহ বাধাই করণ ও ফুটপাত নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়নে তৃতীয় বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পুনরায় ২য় বারের মতো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। গাজীপুর সহ সারাদেশের যুব সমাজকে মাদক ও জঙ্গীবাদ বিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহনের লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে চলেছেন। এছাড়াও তিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন। পাশাপাশি সংসদ ভবন নির্মাণের দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ভবন সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্থাপনার ব্যাপকভাবে সংস্কার ও মেরামত কাজ করার জন্য ১১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। উক্ত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাননীয় স্পিকার কর্তৃক মনোনীত হয়ে ‘‘জাতীয় সংসদ ভবনের পূর্তকাজ, বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক সিস্টেমের উন্নয়ন’’ শীর্ষক প্রকল্পের মনিটরিং কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

তিনি ১০ম জাতীয় সংসদের অলপার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) ইয়ুথ, এমপ্লয়মেন্ট ও আইসিটি এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১০ম জাতীয় সংসদের এমডিজিস ডব্লিইটিও এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (বিডিএফ) সম্পর্কিত অল পার্টি পার্লামেন্টারি (এপিপিজি) গ্রুপ এর ভাইস চেয়ারম্যান এবং এইচআইভি/এইডস হিউম্যান ট্রাফিকিং, পপুলেশন এন্ড মাইগ্রেশন; এডুকেশন; ক্লাইমেট চেইঞ্জ এন্ড এনভায়রন্টমেন্ট; এক্সট্রিম প্রোভার্টি; এগ্রিকালচার, ফুড এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট; ওয়াটার স্যানিটেশন এন্ড হাইজিন সম্পর্কিত সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপগুলোর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চতুর্থ বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

তিনি নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষা, বালু, তুরাগ ও দেশের অন্যান্য নদ-নদীর নাব্যতা এবং নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ অব্যাহত রাখা সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ফান্ড কমিটির সদস্য ছিলেন। আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ-২০১২ এ সাংগঠনিক কমিটির উপদেষ্টা, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ T/20 ক্রিকেট (বিপিএল) এর প্রধান উপদেষ্টা এবং ১১তম সাউথ এশিয়ান গেমস-২০১০ এর সাংগঠনিক কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চট্রগ্রামে পর পর ২ বার অনুষ্ঠিত শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ টুর্নামেন্টে সাংগঠনিক কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টুর্ণামেন্ট আয়োজনের সাথে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি চট্রগ্রাম আবাহনী লিমিটেড এর একজন পরিচালক।

তিনি তার পিতার নামে শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার ফাউন্ডেশন গঠন করেন এবং এর মাধ্যমে প্রতিবছর কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহযোগিতা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিক্ষায় নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাছাড়া ধারাবাহিকভাবে এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দু:স্থ মানুষদের সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

তিনি ২০১০ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগদান করেন। এছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ২০০৯ সালে  অলিম্পিক গেমস্ এ ইংল্যান্ড, এবং ২০১২ সালে  বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন COP-15 এ  ডেনমার্ক ও সুইডেন সফর করেন। এ ছাড়া ২০০৫ সালে বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে ফিলিপাইন সফর করেন। ২০০৬ সালে কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না এর আমন্ত্রণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুল জলিল এমপির নেতৃত্বে চীন সফর করেন। ২০১০ সালের থাইল্যান্ডের ব্যাংকক এ অনুষ্ঠিত Asian Forum of Parliamentarians on Population and Development (AFPPD)  আয়োজিত ``Young Parliamentarians Consultation’’ এ বাংলাদেশ সংসদীয় দলের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।  ২০১৫ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত  IPU Global Conference of Young Parliamentarians এবং Bringing a Youth Perspective to Development Co-operation’’ বিষয়ক সেমিনারে ০৪ (চার) সদস্য বিশিষ্ট সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেন। ২০১৭ সালে শ্রীলংকার কলোম্বতে অনুষ্ঠিত ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (IPU) আয়োজিত Regional Meeting of Young Parliamentarians of the Asia-Pacific এবং Post meeting touristic excursion’’ বিষয়ক সভায় ০৪ (চার) সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। 

তাছাড়া, তিনি সংসদীয় প্রতিনিধিদল এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে  চীন, দক্ষিণ কোরিয়া , ইংল্যান্ড, আমেরিকা, নরওয়ে, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, কাতার, মালয়েশিয়া, ভারত, জাপান, শ্রীলংকা, ব্রাজিল, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, জার্মানি, মালদ্বীপ, সিংগাপুর, নেপাল, থাইল্যান্ড, সুইডেন, আজারবাইজান, মরিশাস, সিশেল, রাশিয়া এবং ডেনমার্কসহ  বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন। পবিত্র হজ্জ্ব ও ওমরাহ্ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব সফর করেছেন। তিনি সমাজ সেবায় অবদানের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। 

তিনি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ। বইপড়া, ভ্রমণ ও খেলাধুলা তাঁর প্রিয় শখ। 


Share with :

Facebook Facebook